PCOS কি ? যে সব কারণে PCOS হয় এবং সারানো উপায়

0

কি কারণে আপনার পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম হতে পারে ? আপনার PCOS হয়েছে কি সে সম্পর্কে কিভাবে নিশ্চিত হবেন ? কিভাবে এই রোগ প্রতিরোধ করতে পারবেন ? সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

 

Polycystic Overy Syndrome (PCOS)

ছবি:সংগৃহিত

অধিকাংশ নারীরাই বর্তমান সময়ে এখন এ রোগে ভুগছেন নারীদের জীবনধারার পরিবর্তন বা অত্যাধিক আধুনিক জীবনযাপন করার কারণেই মূলত এই রোগ হয়ে থাকে। এর ফলে নারীদের শরীরে এই রোগের প্রকোপ ক্রমাগত ভাবে বেড়েই চলেছে। যা তাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ডে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। 

আমাদের সমাজে এমন অনেক নারী আছেন যারাৎ POS হওয়ার কারণ, লক্ষ্মণ, প্রতিকার সম্পর্কে সম্পর্কে ঠিকমত জানেন না এজন্য রোগের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পরেও চিকিৎসা করাতে চান না এতে করে তাদের শরীরে এই রোগের প্রভাব মারাত্মক ভাবে বেড়ে যেতে পারে এবং পরবর্তীতে এই রোগ থেকে আপনার শরীরে বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগ সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। 

তাই পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম সম্পর্কে আমাদের বিস্তারিত ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) কি ?

Polycystic Ovarian Syndrome সংক্ষেপে আমারা PCOS বলে থাকি। একজন নারীর শরীরে এন্ড্রোজেন বা পুরুষ হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে যায় তখন ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণুগুলো সঠিক ভাবে বেড়ে উঠতে পারে না বলে ডিম্বাশয় থেকে বের হতে সক্ষম হয় না। 

এর ফলে ডিম্বাশয়ের ভিতরে ডিম্বাণুর আধিক্য হয়ে যায় এবং এই ওভারি বা ডিম্বাশয়ের চারপাশে ছোট ছোট সিস্টের মত তৈরী হয় তখন অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় আমরা বলে থাকি পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম

 পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম  কাদের বেশি হয় ?

PCOS নারীদের হয়ে থাকে। তবে যখন নারীরা Reproductive age বা প্রজননক্ষম বয়সে থাকে তখন তাদের ক্ষেত্রে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। অর্থাৎ ১৫-৪৫ বয়সী নারীদের এই রোগে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি থাকে।

আরও জানুন...

 গর্ভপাত (Miscarriage) কেন হয় ? জেনে নিন ,গর্ভপাতের লক্ষণ সমূহ কি কি ?

মেয়েদের অনিয়মিত  মাসিক হয় কেন ? অনিয়মিত মাসিক হলে কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে ?

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম কয় ধরনের হয়ে থাকে ?

সাধারণত একজন নারীর শরীরে চার ধরনের  Polycystic Ovarian Syndrome  দেখা দিতে পারে। সে গুলো হল

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম কয় ধরনের হয়ে থাকে ?

                                                                           ছবি:সংগৃহিত

*  Insulin-resistant (ইনসুলিন-প্রতিরোধী পিসিওএস)

*  Post-pill (পোস্ট- পিল পিসিওএস)

*   Adrenal (অ্যাডরেনাল পিসিওএস)

*   Inflammatory  (প্রদাহজনক পিসিওএস)

 পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম গুলোর ভিতর থেকে বর্তমানে প্রায় বেশিরভাগ নারীরাই Insulin-resistant (ইনসুলিন-প্রতিরোধী পিসিওএস) আক্রান্ত হচ্ছে যা প্রায় ৭০% এর কাছাকাছি। এবং এই পিসিওএস নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে পরবর্তীতে এই রোগ তাদের শরীরে মারাত্নক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে এমনটি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

 যে সব কারণে আপনার   PCOS হতে পারে ?

আপনার পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম হওয়ার পেছনে কয়েকটি উল্লেখ যোগ্য কারণ রয়েছে। কারণ গুলো সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো

জেনেটিক পরিবর্তনের কারণে :

আপনার শরীরে যদি কোন জেনেটিক পরিবর্তন বা জিনগত ত্রুটি থাকে তাহলে আপনার ওভারি বা ডিম্বাশয়ের ভিতরে ডিম্বাণুর বৃদ্ধি অস্বাভাবিকভাবে হতে পারে। এর ফলে ডিম্বাণুর সঠিকভাবে বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। যার থেকে পরবর্তীতে আপনার পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

বংশগত কারণে :

আপনার পরিবারের কোন সদস্য যদি আগে থেকে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এর সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে আপনার শরীরে এই রোগ দেখা দিতে পারে। 

হরমোনের সমস্যা :

আপনার শরীরে যদি হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয় তাহলে আপনার শরীরে এন্ড্রোজেন বা পুরুষ যৌন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে যা আপনার ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বের হতে বাধা প্রদান করতে পারে। এর ফলে আপনার পিসিওএস হতে পারে। 

খাদ্যাভাসে অনিয়ম :

আপনি যদি খাদ্যাভাসে অনিয়ম বা ঠিকমত খাবার না খান তাহলে আপনার শরীরে বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগ সৃষ্টি হতে পারে। এর থেকে পরবর্তীতে আপনার পিসিওএস হতে পারে।

ধূমপান করলে :

আপনি ধূমপান করলে সিগারেটের ভিতরে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ আপনার ওভারি বা ডিম্বাশয়কে বিষাক্ত করে তুলতে পারে। যার ফলে আপনার ডিম্বাণু সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে না এবং পিসিওএস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তৈলাক্ত খাবার খেলে :

আপনি যদি তেল-চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খান সেক্ষেত্রে আপনার ওজন বেড়ে যেতে পারে এবং পিসিওএস হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

মানসিক অবসাদ :

অতিরিক্ত টেনশন বা মানসিক চাপ বৃদ্ধির ফলে শরীরে থাকা হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বেড়ে যেতে পারে।  এর ফলে আপনার শরীরে পিসিওএস দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 ব্যায়াম শরীরচর্চার অভাব :

আপনার যদি ব্যায়াম শরীরচর্চার অভাব বা শারীরিক পরিশ্রম কম থাকে তাহলে আপনার শরীরের হরমোন গুলোর কার্য ক্ষমতা কমে যেতে পারে। এর ফলে আপনার পিসিওএস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। 

প্রয়োজনে দেখুন..

 জেনে নিন,জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল( Contraceptive Pill ) খাওয়ার সুবিধা-অসুবিধা গুলো কি কি ?

ব্রেস্ট ক্যান্সার(Breast Cancer) কী? এটি হওয়ার কারণ এবং ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করার উপায় কি ?

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম হলে শরীরে কোন ধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে ?

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম হলে শরীরে কোন ধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে ?


                                                                  ছবি:সংগৃহিত

সাধারণত  PCOS হলে আপনার শরীরে নিম্নলিখিত লক্ষ্মণগুলো দেখা দিয়ে থাকে। লক্ষ্মণ গুলো দেখা দিলে আপনাকে সতর্ক হয়ে যেতে হবে। লক্ষ্মণ গুলো হল

স্থুলতায় ভুগা বা ওজন বৃদ্ধি পেলে :

দীর্ঘ দিন ধরে যদি আপনি পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম  রোগে আক্রান্ত থাকেন তাহলে আপনার শরীরের ওজন বেড়ে যেতে পারে অথবা আপনার শরীরে স্থুলতার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অনিয়মত পিরিয়ড হওয়া :

PCOS এর প্রভাব যদি আপনার শরীরে বেড়ে যায় তাহলে আপনার অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে বা পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যেতে পারে। 

ব্রণের সমস্যা দেখা হওয়া :

আপনি যদি পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম  এর সমস্যায় ভুগেন তাহলে আপনার শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে। যার ফলে আপনার মুখে বা ত্বকে ব্রণ উঠতে পারে।   

চুল পড়ে যাওয়া :

আপনার শরীরে যদি পিসিওএস এর প্রভাব বেড়ে যায় তাহলে আপনার মাথার সামনের অংশ থেকে চুল পড়ে যেতে থাকে।

 ত্বকে কালচে ভাব দেখা দেয়া :

 PCOS হলে আপনার ত্বকে কালচে ভাব দেখা দিতে পারে। 

শরীরে অবাঞ্ছিত চুল বা লোম হওয়া :

 এর প্রভাব বেড়ে গেলে আপনার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় অবাঞ্ছিত চুল বা লোম হতে পারে।

ডিম্বাশয়ে সিস্ট হওয়া :

 PCOS হলে আপনার ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বের হতে পারে না জন্য ডিম্বাশয়ের আশেপাশে ছোট ছোট সিস্ট তৈরী হতে পারে।

মাথা ব্যাথা করা :

পিসিওএস এর মাত্রা যদি আপনার শরীরে বেড়ে যায় তাহলে আপনার মানসিক চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বেড়ে যেতে পারে। যার ফলে সময় আপনার মাথা ব্যথা করতে পারে।

পড়ুন :মাথা ব্যথার কারণ কী? মাথাব্যথা হলে কি করবেন?

ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতায় ভুগা :

আপনার যদি  Polycystic Ovarian Syndrome এর সমস্যা থাকে তাহলে আপনার শরীরে ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতার প্রভাব বেড়ে যেতে পারে। এই বিষণ্নতা থেকে ধীরে ধীরে আপনার শরীরকে দূর্বল করে দিতে পারে এবং পরবর্তীতে আপনার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত সৃষ্টি হতে পারে।

তলপেটে ব্যাথা করা :

আপনার শরীরে যদি পিসিওএস এর সমস্যা থাকে তাহলে আপনার পিরিয়ডের সময় তলপেটের প্রদাহ বা ব্যাথা হওয়ার প্রবণতা অনেক বেড়ে যেতে পারে।

আপনার শরীরে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম এর লক্ষ্মণ প্রকাশ পেলে আপনাকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এরপর চিকিৎসক আপনার শরীরে এর প্রভাবের উপর ভিত্তি করে প্রয়োজন বোধে নিচের পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে থাকেন। পদ্ধতি গুলো হল

নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ সেবন :

আপনার শরীরে  Polycystic Ovarian Syndrome এর প্রভাব যদি অল্প থাকে তাহলে চিকিৎসক আপনাকে কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিতে পারেন। এর ফলে আপনি দ্রুতই এই রোগ থেকে সেরে উঠতে পারেন।

 সার্জারী বা অস্ত্রোপাচার :

আপনার যদি ওষুধের মাধ্যমে পিসিওএস নিরাময় করা না যায় সেক্ষেত্রে চিকিৎসক আপনার ওভারি বা ডিম্বাশয়ে ছোট একটি সার্জারী বা অস্ত্রোপাচার করতে পারেন। যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ল্যাপারোস্কোপি ওভারিয়ান ড্রিলিং। এটা করার ফলে আপনার ডিমস্ফোটন পুনারায় শুরু হয়ে যাবে।

 

কীভাবে Polycystic Ovarian Syndrome প্রতিরোধ করবেন ?

এ থেকে আরোগ্য লাভ করতে হলে আপনাকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি মনোযোগ দিতে হবে এবং সেগুলো ঠিক মত পালন করতে হবে। বিষয়গুলো হল

জীবনযাত্রার মান উন্নতি করা :

আপনাকে  PCOS প্রতিরোধ করার জন্য সবার প্রথমেই জীবনযাত্রার মানের উন্নতি করা দরকার। অতিরিক্ত আধুনিক জীবনযাপন করা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে।  অসুখ-বিসুখ দেখা দেয়ার সাথে সাথে হেলা-ফেলা না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ধূমপান ত্যাগ করা :

পিসিওএস প্রতিরোধ করতে হলে আপনাকে অব্যশই ধূমপান করা বন্ধ করে দিতে হবে। এর ফলে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থগুলো আপনার ডিম্বাশয়ের ভিতরে প্রবেশ করার ঝুঁকি তুলনামূলক ভাবে কম থাকে এবং যার ফলে আপনার পিসিওএস হওয়ার ঝুঁকি কম থাকবে।

পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম নেয়া :

আপনি নিয়মিত যদি পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম নেন তাহলে আপনার হরমোনের কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে আপনার ডিম্বাশয় থেকে ডিমস্ফোটন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকবে এবং ডিম্বাশয়ে সিস্ট তৈরী হবে না। যার ফলে আপনার পিসিওএস হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে। জন্য PCOS প্রতিরোধ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ঘুম বিশ্রাম ঠিকমত নিতে হবে।  

সুষম খাবার গ্রহণ করা :

আপনার ডিম্বাশয়ের ডিম্বাণু সঠিকভাবে বৃদ্ধির জন্য এবংএর প্রতিরোধ করতে হলে আপনাকে বেশি বেশি করে সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। আপনি যদি সুষম খাবার যেমন: বাদাম, বীজ জাতীয় খাবার, মিষ্টি আলু, সবুজ শাক-সবজি, প্রয়োজনীয় আমিষ, আঁশজাতীয় খাবার, ইত্যাদি বেশি করে খান তাহলে আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

আমাদের পড়ামর্শ:

 Polycystic Ovarian Syndrome হলে এর প্রভাব আপনার শরীরে বেড়ে গেলে পরবর্তীতে এর থেকে বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগ যেমন : ডায়াবেটিস, ব্রেস্ট ক্যান্সার, জরায়ু ক্যান্সার এমনকি আপনার গর্ভধারণের পথে মারাত্মক বাঁধার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এজন্য এই  সমস্যাটিকে আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে এবং এর লক্ষ্মণ প্রকাশ পাওয়ার সাথে সাথেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। 

কারণ প্রাথমিক অবস্থায় এই রোগের চিকিৎসা করালে আপনি দ্রুতই এই রোগ থেকে সেরে উঠে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন। তাই আপনি যদি Polycystic Ovarian Syndrome  হওয়ার হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে উপরিউক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে এবং অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। 
 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
Top