ওজন বাড়ার ফলে শরীরের কী কী ক্ষতি হতে পারে? জেনে নিন, কীভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন

0
 আপনার ওজন কি স্বাভাবিক? ওজন বাড়ার ফলে আপনার শরীরের কী কোন ক্ষতি হতে পারে? ঔষধ ছাড়াই কীভাবে আপনার শরীরের ওজন দ্রুত কমাবেন?
ওজন বাড়ার ফলে শরীরের কী কোন ক্ষতি হতে পারে? জেনে নিন, কীভাবে  আপনার শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন ??
ছবি :সংগৃহিত 


আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য শরীরের ওজন অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তবে বর্তমান সময়ে বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ মানুষই স্থুলতা বা মেদজনিত সমস্যায় ভুগছেন।

এই সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বর্তমানে স্থুলতা একটি মারাত্মক সমস্যা বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। কারণ সমস্ত জটিল রোগের শুরুর ধাপটা স্থুলতা বা অতিরিক্ত ওজন বাড়ার সাথে সম্পর্কিত।আার মূলত ওজন বাড়ে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ২৮ লাখের ও বেশি মানুষ এইস্থুলতা বা অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির শিকার হয়ে থাকেন। ওজন নিয়ন্ত্রণে না রাখতে পারলে অকাল মৃত্যু ও ঘটতে পারে।

এখানে ,যা যা থাকচ্ছে .......

  •   স্থুলতা বা ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি কাদের বেশি?
  • কী কারণে শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায়?
  •  ওজন বাড়ার ফলে শরীরের কী ক্ষতি হতে পারে?


Obesity বা স্থুলতা কী?

স্থুলতার ইংরেজি নাম হল Obesity. Obesity বা স্থুলতা হল দেহে অতিরিক্ত ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় পদার্থ জমা হয়ে শরীরের ওজন অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়া। এ অবস্থায়কোন ব্যক্তির শরীরের ওজন তার স্বাভাবিক ওজনের চেয়ে ১০ ভাগ বেড়ে যায়। যেমন:কোন ব্যক্তির উচ্চতা অনুযায়ী ওজন হওয়া উচিত ৭০ কেজি, কিন্তু তার ওজন যদি ৭৬কেজি বা তার বেশি হয়ে যায় তখন এই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Obesityবা স্থুলতা বলে।


স্থুলতা বা ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি কাদের বেশি?

একজন ব্যক্তি যে কোন বয়সেই স্থুলতা বা ওজন বৃদ্ধির শিকার হতে পারেন। এখন এই সমস্যায় শিশুরা ও ভুগছে। তবে সাধারণত মধ্যবয়সীরা এই সমস্যায় বেশি ভুগে থাকেন। গবেষণায় দেখা গেছে যে, পুরুষের তুলনায় নারীরা স্থুলতা জনিত সমস্যায় বেশি ভুগে থাকেন। এই রোগে নারীদের মৃত্যুর হারও পুরুষের তুলনায় অনেক বেশি।

আরও জানুন ......

*মানসিক চাপ কি ??কিভাবে  এটা থেকে পরিত্রাণ  পাবেন ?

*নিয়মিত ব্যাম করলে ডায়াবেটিস থাকবে নিয়নত্রণে 

*সাদা স্রাব কেন হয় ??কখন এটা বিপদজনক


কোন ধরনের ওজন স্বাভাবিক?

স্বাভাবিক ওজন বোঝার জন্য Body mass Index বা BMI ব্যবহার করা হয়। BMI হল শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী ওজনের আনুপাতিক হার। সাধারণত একজন মানুষের শরীরে ওজনের দুই ধরনের রূপ দেখা যায়।

* স্বাভাবিক ওজন

* অস্বাভাবিক ওজন বা স্থুলতা

স্বাভাবিক ওজন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, একজন ব্যক্তির স্বাভাবিক BMI অবশ্যই ২০-২৫ এরমধ্যে থাকতে হবে। কোন ব্যক্তির BMI যদি ১৮.৫ থেকে ১৯.৫ এর মধ্যে থাকে তাহলে ঐ ব্যক্তির ওজন স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়া হয়।

অস্বাভাবিক ওজন বা স্থুলতা

কোন ব্যক্তির BMI এর মান যদি ২৫-৩০ এর ভিতরে থাকে তখন ঐ ব্যক্তিকে স্থুল ব্যক্তি হিসেবে ধরা হয়। তবে ৩০ এর উপরে চলে গেলে ঐ ব্যক্তির ওজনকে অস্বাভাবিক ওজন হিসেবে ধরা হয় বা ঐ ব্যক্তি Obesity বা স্থুলতাজনিত সমস্যায় ভুগছেন।


কী কারণে শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায়?

শরীরের ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কারণ রয়েছে। কারণগুলো নিম্নে আলোচনা করা হলো:

অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করলে :

অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনই Obesity বা স্থুলতার প্রধান কারণ এমনটি বিশেষজ্ঞরা বলছেন। আমাদের জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে আমরা শারীরিক পরিশ্রম করা ছেড়ে দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল ডিভাইসের উপর বেশি আসক্ত হয়ে পড়েছি। এর ফলে আমাদের শরীর অধিক ভার হয়ে যাচ্ছে এবং তার সাথে ওজন ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার খাওয়া :

অতিরিক্ত কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার প্রচুর পরিমাণে তেল, চর্বি বা ফ্যাট জাতীয় পদার্থবিদ্যমান থাকে। এসব খাবার বেশি খেলে আমাদের শরীরে এই অতিরিক্ত তেল, চর্বি জমে শরীরের ওজন অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।

কায়িক পরিশ্রমের অভাব

কায়িক পরিশ্রম বা নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম না করার ফলে আমাদের শরীর বেশি ভারী হয়ে যাচ্ছে। কারণ হল আমরা যেসব খাবার খাই এসব খাবার খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে যে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয় তা ঘামের মাধ্যমে আমাদের শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম করলে আমাদের শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে এইঅতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় পদার্থ বের হয়ে যায়। কিন্তু নিয়মিত ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম না করলে এই জাতীয় পদার্থ শরীরের ভিতর জমে থাকে এবং শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে।

অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড খাওয়া :

ফাস্ট ফুডে প্রচুর পরিমাণে তেল, চর্বি বিদ্যমান থাকে। এসব খাবার খেলে শরীরে এই অতিরিক্ত তেল, চর্বি জমে যায়। এর ফলে শরীরের ওজন বেড়ে যায়।

পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রামের অভাব :

বিশ্রাম ও ঘুম ঠিকমত না হলে মানুষ কাজ করতে পারে না। অল্প কাজ করলেই হাঁপিয়ে যান এবং দৈনন্দিন পরিশ্রম ঠিকমত হয় না। এর ফলে শরীরের ওজন বেড়ে যেতে পারে।

মানসিক অবসাদ:

অতিরিক্ত টেনশন বা মানসিক চাপ বৃদ্ধির ফলে শরীরে থাকা হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়। এর ফলে শরীরের ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে।

মদ্যপান ও অ্যালকোহল জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করলে :

অতিরক্ত মদ্যপান করলে শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায়। কারণ মদে প্রচুর পরিমাণে অ্যালকোহল মিশ্রিত থাকে। অ্যালকোহল- এ প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। এসব ফ্যাট শরীরে জমা হয়ে শরীরের ওজন অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি করে। এছাড়াও অ্যালকোহল জাতীয় দ্রব্য যেমন:অতিরিক্ত কোল ড্রিংক খেলেও শরীরেরওজন বেড়ে যেতে পারে।

হরমোনজনিত সমস্যা:

আমাদের শরীরে কিছু হরমোন আছে যেগুলোর নিঃসরণ বেশি হলে শরীরের ওজন অধিক পরিমাণে বেড়ে পেতে পারে। অতিরিক্ত টেনশনে থাকলে সাধারণত এমনটি হয়ে থাকে।

অতিরিক্ত ওষুধ খেলে:

অতিরিক্ত ওষুধ বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ওষুধ খাওয়ার ফলে শরীরের ওজন বেড়ে যেতে পারে।

বংশজনিত কারণে :

বংশজনিত কারণে যেমন পরিবারের কোন সদস্যের আগে থেকে যদি এ রকম সমস্যা আছে সেক্ষেত্রে ও ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে।

ওজন বাড়ার ফলে শরীরের কী ক্ষতি হতে পারে?

ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগ দেখা দিতে পারে। সমস্যা গুলো সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো:

হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগ :

শরীরের ওজন বেড়ে গেলে বা স্থুল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। কারণ অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি হার্টে জমে হার্টের ছিদ্র বন্ধ করে দেয়। ফলে শরীরে রক্ত চলাচল করতে পারে না। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে।

ইনসুলিনের মাত্রা কমে যাওয়া:

শরীরের অতিরিক্ত তেল ও চর্বি জমে যাওয়ার ফলে বা শরীরে ওজন অধিক বৃদ্ধি পায় এর ফলে শরীরে ইনসুলিনের চাহিদা দেখা দেয়। দেহে অতিরিক্ত তেল-চর্বি বেড়ে যাওয়ার কারণে শরীরের সব স্থানে গ্লুকোজ ঠিকমত পৌঁছাতে পারে না। এর ফলে শরীরে গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। যার ফলে আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগ সৃষ্টি হতে পারে।

ডায়াবেটিস :

শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা কমে গেলে ডায়াবেটিস হতে পারে। আর ইনসুলিন কমে যায় শরীরে ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে। অতিরিক্ত তেল ও চর্বি জমা হওয়ার কারণে বেসিটি হয়ে থাকে যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

পড়ুন :অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস হলে আপনার শরীরের যে সব অঙ্গ-প্রতঙ্গের ক্ষতি হতে পারে ?

উচ্চ রক্তচাপ :

উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার অন্যতম কারণ হল স্থুলতা বা শরীরের ওজন অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়া। অতিরিক্ত কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে শরীরের ওজন অনেক বেড়ে যায়। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যা হয়ে থাকে।

ক্যানসার :

শরীরের ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার যেমন: কোলন ক্যান্সার, জরায়ুর ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে। তবে ওজন বৃদ্ধির ফলে ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। কারণ অতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় পদার্থের উপস্থিত থাকার ফলে এস্ট্রোজেন এর মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি ও বেড়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন:

জেনে নিন কোলন ক্যান্সার হলে  শরীরে কোন ধরনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে ?

কিডনি ক্যান্সার বা রেনাল ক্যান্সার হলে আপনার শরীরে যে ধরনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে 

পিত্ত থলিতে পাথর :

অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি পিত্ত থলিতে জমলে পিত্ত থলিতে পাথর সৃষ্টি হতে পারে। ঔষধ ছাড়াই কীভাবে আপনার শরীরের ওজন দ্রুত কমাবেন?

ওজন কমানোর জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খেয়ে থাকি। ওষুধে ক্ষণিকের জন্য প্রতিকার পাওয়া যায়। তবে ওষুধের চেয়ে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে পারলে ওজন কমানো সহজতর হবে এমনটি মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যেভাবে ঔষধ ছাড়াই শরীরের ওজন দ্রুত কমানো যায় তা নিয়ে নিম্নে আলোচনা করা হলো:

মানসিক অবসাদ দূর করা :

মানসিক চাপ বৃদ্ধির ফলে শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায়। শরীরের ওজন কমানোর জন্য অবশ্যই নিজেকে টেনশনমুক্ত বা মানসিক চাপ হতে দূরে রাখতে হবে। মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সব সময় নিজেকে হাসি-খুশি রাখতে হবে।

নিয়মিত ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করা :

ওজন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করা


                             ওজন নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করা ;ছবি সংগৃহিত

নিয়মিত ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করার ফলে শরীরে যে অতিরিক্ত তেল-চর্বি জমে থাকে  তা ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এর ফলে শরীরের ওজন স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। শরীরের ওজন দ্রুত কমানোর জন্য আমাদের নিয়মিত ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করতে হবে যাতে আমাদের শরীর থেকে ঘাম ঝরে। নিয়মিত ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

সবুজ শাক-সবজি এবং তাজা ফলমূল খাওয়া :

ওজন কমানোর জন্য আমাদেরকে বেশি করে সবুজ শাক-সবজি খেতে হবে। এতে ফাইবার থাকে যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাজা ফলমূল ভালো করে ধুয়ে তারপর কেটে খেতে হবে। ফলের রস খাওয়া থেকে তাজা ফলমূল কেটে খাওয়া উত্তম। কারণ রস করে খেলে ফাইবার-এর কার্যকারিতা কমে যায়।

উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার পরিহার করা :

কোলেস্টেরলযুক্ত খাবারে প্রচুর পরিমাণে তেল-চর্বি থাকে থাকে যেগুলো শরীরে ঢুকে শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে। ওজন কমানোর জন্য কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। এর পরিবর্তে আঁশযুক্ত খাবার বেশি করে খেতে হবে।

খাদ্যদ্রব্য ভালো করে চিবিয়ে খাওয়া :

খাদ্যদ্রব্য যদি ঠিকমত চিবিয়ে খাওয়া হয় তাহলে আমাদের মুখে থাকা এনজাইম খাবারের সাথে মিশে হজমে সাহায্য করে। এর ফলে শরীরে অতিরিক্ত তেল-চর্বি জমতে পারে না এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নেয়া :

পর্যাপ্ত ঘুম এবং ঠিকমত বিশ্রাম নিলে শরীর সুস্থ ও সতেজ থাকে। কাজ করতে গেলে কোন রকম ক্লান্তি লাগে না। এর ফলে শরীরের ওজন ও স্বাভাবিক থাকে। তাই ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত ঘুম ও বিশ্রাম নিতে হবে।

ফাস্ট ফুড পরিহার করা :

ফাস্ট ফুডে প্রচুর পরিমাণে তেল-চর্বি বিদ্যমান থাকে। অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড খাওয়ার ফলে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমে শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে। তাই ওজন কমানোর জন্য অবশ্যই ফাস্ট ফুড যেমন: পিজা, বার্গার প্রভৃতি পরিহার করতে হবে।

মদ্যপান এবং অ্যালকোহল জাতীয় দ্রব্য পরিহার করা :

অ্যালকোহল জতীয় দ্রব্যতেও প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট মিশ্রিত থাকে। এর ফলে শরীরে জমা হয় এবং শরীরের ওজন অধিক পরিমাণে বৃদ্ধি করে। কোল্ড ড্রিংকে ও অ্যালকোহল মিশানো থাকে বেশি খেলে শরীরের ওজন বেড়ে যেতে পারে।ওজন কমানোর জন্য অবশ্যই মদ্যপান থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ মদে উচ্চ মাত্রার অ্যালকোহল থাকে। যা খেলে আমাদের শরীরে ওজন বৃদ্ধি ছাড়া ও বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগ সৃষ্টি হতে পারে। তাই শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে এসব খাবার পরিহার করতে হবে ।

 *ত্বকের যত্ন ও উজ্জ্বলতা বাড়াবেন কিভাবে ??

*চুল পড়া রোধে ১০ টি খাবারের ভূমিকা

পরিশেষে বলা যায় যে,

অতিরিক্ত ওজন শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর। কারণ এর থেকে পরবর্তীতে জটিল রোগ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আবার ওজন স্বাভাবিক এর চেয়ে বেশি কমে গেলে ও শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য শরীরের ওজন সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ওজন স্বাভাবিক থাকলে শরীর সুস্থ থাকে এবং রোগ-ব্যধি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই আমাদেরকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হলে অবশ্যই শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
Top