সাইনুসাইটিস (Sinusitis) কি? এবং সাইনুসাইটিস হওয়ার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

0

সাইনুসাইটিস (Sinusitis) কি এবং কেন হয় সম্পর্কে কি আপনি জানেন ? আপনার সাইনুসাইটিস হয়েছে কিনা সেটা কিভাবে বুঝবেন ? কিভাবে এই রোগ থেকে নিস্তার পাবেন ? সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

সাইনুসাইটিস (Sinusitis) কি এবং কেন হয় ?
ছবি :সংগৃহিত

বর্তমান সময়ে সাইনুসাইটিস  আমাদের সবার কাছে একটি অতি পরিচিত সমস্যার নাম। সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, আমাদের জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণহীনতাই মূলত সাইনুসাইটিস হওয়ার প্রধান কারণ। প্রতিনিয়ত আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এই রোগের প্রকোপ ক্রমাগত ভাবে বেড়েই চলেছে। যা আমাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ডে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। 

সাইনুসাইটিস রোগের জীবাণু বাইরের ধুলো-বালি, স্যাঁতসেতে পরিবেশ, সিগারেটের ধোঁয়া প্রভৃতি থেকে নাক-মুখের মাধ্যমে আমাদের সাইনাসের ভিতরে প্রবেশ করছে যার কারণে আমাদের সাইনুসাইটিস হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

আমাদের সমাজে এমন অনেক মানুষই আছেন যারা সাইনুসাইটিস(Sinusitis)হওয়ার কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার সম্পর্কে অজ্ঞাত আছন এজন্য ঠিকমত চিকিৎসা করান না এতে করে তাদের একটি সাইনাসে এই রোগের প্রভাব মারাত্মক ভাবে বেড়ে যেতে পারে এবং পরবর্তীতে ধীরে ধীরে এই রোগ আপনার অন্যান্য সাইনাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে। 

জন্য সাইনুসাইটিস সম্পর্কে আমাদের বিস্তারিত ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।

এখানে,যা যা থাকছে.....
  • সাইনুসাইটিস (Sinusitis)  কি ? সাইনুসাইটিস  কাদের বেশি হয় ?
  •  কি কারণে আপনার সাইনুসাইটিস  হতে পারে ?
  • সাইনুসাইটিস  কয় ধরনের হয়ে থাকে ?
  • সাইনুসাইটিস  হলে আপনার শরীরে কোন ধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে ?
  • আপনার সাইনুসাইটিস  হলে কী উপায়ে প্রতিকার করবেন  ?


সাইনুসাইটিস কি ?

সাইনুসাইটিস সম্পর্কে জানতে হলে আমাদেরকে সবার আগে সাইনাস কি সে সম্পর্কে জানতে হবে। সাইনাস (Sinus) বলতে আমাদের মুখমন্ডলের হাড়ের ভিতরে অবস্থিত কিছু ফাঁকা জায়গা রয়েছে সেগুলোকে বোঝায়। আর এই সাইনাসের ভিতরে যখন কোন কারণে প্রদাহ বা ঘা এর সৃষ্টি হয় তখন সাইনাসের অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় আমরা বলে থাকি সাইনুসাইটিস (Sinusitis) সাইনুসাইটিস সাধারণত আমাদের নাকের আশেপাশে যে টি সাইনাস রয়েছে এগুলোতে প্রদাহ সৃষ্টি করে। 

 

সাইনুসাইটিস (Sinusitis) কাদের বেশি হয় ?

আমাদের সবারই সাইনুসাইটিস  হতে পারে এবং এই রোগে আক্রান্ত  হওয়ার কোন নির্দিষ্ট বয়সসীমা থাকে না এর মানে হল যে কোন বয়সেই আপনার সাইনুসাইটিস হতে পারে। তবে যারা সাইনাসে আঘাত পেয়েছেন, যাদের বেশি ঠান্ডার সমস্যা হয় তাদের  ক্ষেত্রে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।

 প্রয়োজনে পড়ুন :মাথা ব্যথার কারণ কী? মাথাব্যথা হলে কি করবেন?

                          ঘুম থেকে ওঠার পর হঠাৎ মাথা ব্যথা কেন হয়? সাম্ভবব্য ৫ টি কারণ জেনে নিন

সাইনুসাইটিস (Sinusitis) কয় ধরনের হয়ে থাকে ?

সাধারণত একজন মানুষের সাইনাসে তিন ধরনের সাইনুসাইটিস  দেখা দিতে পারে। সে গুলো হল

*  Acute Sinus (অ্যাকিউট সাইনুসাইটিস)

*  Sub-acute Sinus (সাব- অ্যাকিউট সাইনুসাইটিস)

*   Chronic Sinus (ক্রোনিক সাইনুসাইটিস)

Acute Sinusitis :

অ্যাকিউট সাইনুসাইটিস এর উপসর্গ গুলো সাধারণত আমাদের শরীরে - সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী থাকতে পারে।   

Sub-acute :

এই সাইনুসাইটিসের ক্ষেত্রে উপসর্গ গুলো আমাদের শরীরে -১২ সপ্তাহের মত অবস্থান করতে পারে।

Chronic : 

ক্রোনিক সাইনুসাইটিস হলে আমাদের সাইনাসের বেশি ক্ষতি হয়। কারণ এটি ১২ সপ্তাহের থেকে বেশি সময় সাইনাসে অবস্থান করে যার ফলে আমাদের শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। 

 কি কারণে আপনার সাইনুসাইটিস  হতে পারে ?

আপনার সাইনুসাইটিস  হওয়ার পেছনে কয়েকটি উল্লেখ যোগ্য কারণ রয়েছে। কারণ গুলো সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো

ধূমপান করলে :

ধূমপান করার ফলে সিগারেটের ভিতরে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের কারণে আপনার সাইনাসের ভিতরে প্রবেশ করে সাইনাসকে টক্সিক বা বিষাক্ত করে তুলতে পারে এবং সাইনাসে প্রদাহ বা ব্যাথা সৃষ্টি করতে পারে। যার ফলে আপনার সাইনুসাইটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

ধুলা-বালি থেকে :

বাইরের ধুলা-বালি যদি নাক-মুখের মাধ্যমে আপনার সাইনাসের ভিতরে প্রবেশ করতে পারে। এই ধুলা-বালি থেকে সৃষ্ট জীবাণু আপনার সাইনাসে প্রদাহ সৃষ্টি করে যার দরুন আপনার সাইনুসাইটিস হতে পারে।

অপুষ্টিতে ভুগলে :

আপনার শরীরে যদি পুষ্টির অভাব থাকে তাহলে ইমিউনো সিস্টেম দূর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে জীবাণু সহজেই আপনার সাইনাসকে আক্রমণ করতে পারে। যার ফলে আপনার সাইনুসাইটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। 

ফুসফুসের উপরের অংশে ইনফেকশন হলে :

দীর্ঘদিন ধরে আপনার ফুসফুসের উপরের অংশে কোন ইনফেকশন থাকে তাহলে পরবর্তীতে এই ইনফেকশন থেকে আপনার সাইনুসাইটিস হতে পারে।

অ্যালার্জিজনিত সমস্যা থেকে :

আপনার যদি অ্যালার্জিজনিত সমস্যা থাকে বা ঘন ঘন ঠান্ডার সমস্যা দেখা দেয় তাহলে আপনার সাইনুসাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা আছে। 

পড়ুন :জেনে নিন, এলার্জির হওয়ার কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার সম্পর্কে

শ্বাসনালীর ছিদ্র চিকন হয়ে গেলে :

শ্বাসনালীর ছিদ্রপথ চিকন হয়ে যাওয়ার কারণে আপনার সাইনুসাইটিসের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

 আবহাওয়ার পরিবর্তন হলে :

আবহাওয়া পরিবর্তন অর্থাৎ অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে আপনার ঠান্ডার সমস্যা হতে পারে যার থেকে পরবর্তীতে সাইনুসাইটিস হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।

স্যাঁতসেতে পরিবেশে বসবাস করলে :

দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকার ঘর, স্যাঁতসেতে পরিবেশ বা পর্যাপ্ত আলো-বাতাস পূর্ণ জায়গায় না থাকার কারণে আপনার সাইনুসাইটিস হতে পারে।

 

সাইনুসাইটিস হলে আপনার শরীরে কোন ধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে ?

সাধারণত সাইনুসাইটিস হলে আপনার শরীরে নিম্নলিখিত লক্ষ্মণগুলো দেখা দিয়ে থাকে। লক্ষ্মণ গুলো দেখা দিলে আপনাকে সতর্ক হয়ে যেতে হবে। লক্ষ্মণ গুলো হল

কাশি হওয়া :

সাইনুসাইটিস হলে আপনার কাশি হতে পারে। ধীরে ধীরে এই কাশির গতি বাড়তে পারে এবং রাতের বেলায় এই কাশির অবস্থা বেশি খারাপ হতে পারে।

স্বাদ-গন্ধের অনুভূতি কমে যাওয়া :

আপনার সাইনাসে যদি সাইনুসাইটিসের প্রভাব বেড়ে যায় তাহলে আপনার কোন কিছুর গন্ধ, খাবারের স্বাদ প্রভৃতির অনুভূতি অনেক কমে যেতে পারে।

অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব করা :

সাইনুসাইটিস হলে অতিরিক্ত জ্বর, মাথা ব্যথা, দাঁতে ব্যথা, কানে ব্যথা প্রভৃতির কারণে আপনার শরীর অনেক দূর্বল হয়ে পড়তে পারে এবং সময় আপনার অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।

নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া :

সাইনুসাইটিসের প্রভাব যদি বেড়ে যায় তাহলে আপনার নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।

 বমি বমি ভাব :

আপনার সাইনাসের ভিতরে যদি সাইনুসাইটিসের প্রভাব মারাত্মক ভাবে বেড়ে গেলে আপনার বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে।

ক্ষুধা কমে যাওয়া :

সাইনুসাইটিস হলে আপনার শরীরে অস্বস্তি বেড়ে যাওয়ার কারণে ক্ষুধা লাগার অনুভূতি কমে যেতে পারে।

নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হওয়া :

সাইনুসাইটিসের প্রভাব বেড়ে গেলে আপনার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে। নিঃশ্বাসের সাথে দুর্গন্ধ বের হতে পারে।

 
আপনার সাইনুসাইটিস (Sinusitis) হলে কী উপায়ে প্রতিকার করবেন  ?

সাইনুসাইটিস হলে আপনাকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এরপর চিকিৎসক আপনার সাইনাসে এর প্রভাবের উপর ভিত্তি করে প্রয়োজন বোধে নিচের পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে থাকেন। পদ্ধতি গুলো হল

এন্টিবায়োটিক ওষুধ সেবন :

আপনার শরীরে সাইনুসাইটিসের প্রভাব অল্প থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আপনি এন্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। এসব ওষুধ: সিরাপ, ক্যাপসুল, ট্যাবলেট প্রভৃতি আকারে ফার্মেসীতে পাওয়া যায়। তবে ওষুধ সেবনের আগে কোন ওষুধ আপনার জন্য প্রযোজ্য তা জানতে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

নাকে ড্রপ দেয়া :

আপনার যদি ওষুধ খেতে সমস্যা হয় বা ওষুধ খেতে ইচ্ছা না করে তখন ডাক্তার আপনাকে নাকে ড্রপ ব্যবহার করতে বলতে পারেন।  এর ফলে আপনার শ্লেষা পাতলা থাকে।

সার্জারী বা অস্ত্রোপাচার :

আপনার যদি ওষুধের মাধ্যমে সাইনুসাইটিস নিরাময় করা না যায় সেক্ষেত্রে চিকিৎসক আপনার সাইনাসে সার্জারী বা অস্ত্রোপাচার করার মাধ্যমে সাইনুসাইটিস থেকে নিরাময় দিতে পারেন।

কীভাবে আপনার সাইনুসাইটিস প্রতিরোধ করবেন ?

সাইনুসাইটিসের থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি মনোযোগ দিতে হবে এবং সেগুলো ঠিক মত পালন করতে হবে। বিষয়গুলো হল

জীবনযাত্রার মান উন্নত করা :

আপনাকে সাইনুসাইটিস প্রতিরোধ করার জন্য সবার প্রথমেই জীবনযাত্রার মানের উন্নতি করা দরকার। রোগ-ব্যাথি এবং নিজের শরীরকে ভাল রাখার ব্যাপারে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। অসুখ-বিসুখ দেখা দেয়ার সাথে সাথে হেলা-ফেলা না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বাইরের ধুলা-বালি এড়িয়ে চলা :

সাইনুসাইটিস হওয়ার হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হলে আপনাকে সব সময় পরিষ্কার-পরিছন্নতা মেনে চলতে হবে। বাইরের ধুলা-বালি এড়ানোর জন্য মুখে মাস্ক পড়তে হবে এবং বাড়িতে ফিরে গোসল করতে হবে। এতে করে বাইরের জীবাণু আপনার শরীরে সহজে প্রবেশ করতে পারবে না।

ধূমপান ত্যাগ করা :

সাইনুসাইটিস প্রতিরোধ করতে হলে সবার প্রথমেই আপনাকে ধূমপান করা বন্ধ করে দিতে হবে। এর ফলে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থগুলো আপনার সাইনাসের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না এর ফলে প্রদাহ হবে না এবং সাইনুসাইটিস হওয়ার ঝুঁকি কম থাকবে।

পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম নেয়া :

আপনি নিয়মিত যদি পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম নেন তাহলে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এবং সাইনাসে রোগ-জীবাণু সহজে আক্রমণ করতে পারবে না যার ফলে আপনার ইনফেকশন হবে না এবং সাইনুসাইটিস হওয়ার আশঙ্কা কম থাকবে। জন্য সাইনুসাইটিস প্রতিরোধ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ঘুম বিশ্রাম ঠিকমত নিতে হবে।  

প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা :

সাইনুসাইটিস থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হলে আপনাকে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। পানি আপনার শ্লেষাকে পাতলা রাখতে সাহায্য করে থাকে।

 নাসাপথ পানি দিয়ে ধোয়া :

নাসাপথ পানি দিয়ে ধুলে আপনার জীবাণু প্রবেশ করলে তা বেরিয়ে যায়, নাক সরল থাকে বা শ্লেষা পাতলা থাকে। যার ফলে আপনার সাইনুসাইটিস হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

সুষম খাবার গ্রহণ করা :

আপনার সাইনাসকে ভাল রাখার জন্য এবং সাইনুসাইটিস প্রতিরোধ করতে হলে আপনাকে বেশি বেশি করে সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। আপনি যদি সুষম খাবার খাবার যেমন : ওমেগা-3 ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার, আঁশজাতীয় খাবার, বীজ জাতীয় খাবার, সবুজ শাক-সবজি, প্রয়োজনীয় আমিষ ইত্যাদি বেশি করে খান তাহলে আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

 

উপসংহার,  

সাধারণত আমরা সাইনুসাইটিস (Sinusitis)সমস্যাটিকে গুরুত্বের চোখে দেখি না। যার কারণে এই আমাদের সাইনাসে এই রোগের প্রভাব বেড়ে যেতে পারে এবং পরবর্তীতে এর থেকে জটিল রোগ সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। যা আমাদের সুস্থভাবে জীবনযাপনের পথে একটি মারাত্নক বাঁধার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। 

তাই এই রোগের লক্ষ্মণ গুলো সম্পর্কে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং এর লক্ষ্মণ প্রকাশ পাওয়ার সাথে সাথেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। কারণ প্রাথমিক অবস্থায় এই রোগের চিকিৎসা করালে আপনি দ্রুতই এই রোগ থেকে সেরে উঠে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন।

আপনি যদি সাইনুসাইটিস হওয়ার হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে উপরিউক্ত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে এবং অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। 

 

 

 

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
Top