কিডনি ক্যান্সার হলে আপনার শরীরে যে ধরনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে

0

 

রেনাল ক্যান্সার (Renal Cancer) বা কিডনি ক্যান্সার কি এবং কেন হয় এ সম্পর্কে কি আপনি জানেন ? রেনাল ক্যান্সার হলে আপনার শরীরে কোন ধরনের লক্ষ্মণ দেখা যায় ? কীভাবআপনার রেনাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করবেন ? এ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন –

কিডনি ক্যান্সার বা রেনাল ক্যান্সার হলে আপনার শরীরে যে ধরনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে

ছবি:সংগৃহিত

বর্তমান বিশ্বে এখন আমাদের মধ্যে অধিকাংশ মানুষ রেনাল বা কিডনির ক্যান্সারের শিকার হচ্ছেন এবং প্রতিনিয়ত এই ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সেই সাথে মৃত্যুর হারও বেড়ে চলেছে। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করার কারণে মূলতরেনাল ক্যান্সার হয়ে থাকে। আমাদের মধ্যে এমন  অনেক মানুষ রয়েছে যারা প্রাথমিক অবস্থায় রেনাল ক্যান্সারের লক্ষ্মণ প্রকাশ পাওয়ার পরেও এ সম্পর্কে ঠিকমত বুঝতে পারেন না। এর ফলে রেনাল ক্যান্সার বৃক্ক বা কিডনির বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। যার ফলে রোগীর বাঁচার আশঙ্কা অনেক কমে যায়। এজন্য রেনাল ক্যান্সার সম্পর্কে আমাদের বিস্তারিত ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।

এখন আমরা জানব,


রেনাল ক্যান্সার (Renal Cancer) আসলে কী ?

রেনাল ক্যান্সার সম্পর্কে জানতে হলে আমাদেরকে আগে জানতে হবে রেনাল বা কিডনি কী ? রেনাল বা কিডনি হল শীম বীজের মতো দেখতে যেটা আমাদের পিঠের মাঝখানে মেরুদণ্ডের দুইপাশে একটি করে থাকে। আমাদের অস্বাভাবিক ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি যদি এই রেনাল বা কিডনির ভিতরে অনুষ্ঠিত হয় তখন ঐ অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় আমরা বলে থাকি রেনাল ক্যান্সার।


রেনাল ক্যান্সার (Renal Cancer) কাদের হয় ?

রেনাল ক্যান্সার (Renal Cancer) নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যে দেখা দিতে পারে। তবে রেনাল ক্যান্সারে পুরুষের আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা নারীদের তুলনায় অনেক বেশি এবং যারা মধ্যবয়স্ক রয়েছেন যাদের বয়স ৫০ এর বেশি তাদের মধ্যে আক্রান্তের প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায়।


রেনাল ক্যান্সার (Renal Cancer) কয় ধরনের হয়ে থাকে ?

সাধারণত আমাদের শরীরে চার ধরনের রেনাল ক্যান্সার (Renal Cancer) দেখা দিতে পারে। সে গুলো হল –

  •  Renal cell Carcinoma (রেনাল সেল কার্সিনোমা)
  • Transitional cell Carcinoma (ট্রানজিশনাল সেল কার্সিনোমা)
  •  Renal Sarcoma (রেনাল সারকোমা)
  •  Wilmer Tumour (উইলমের টিউমার)


কী কারণে আপনার রেনাল ক্যান্সার (Renal Cancer) হতে পারে ?

আমাদের রেনাল বা কিডনি ক্যান্সার (Renal Cancer) হওয়ার পেছনে রয়েছে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কারণ। কারণগুলো সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত জেনে নিন :

জেনেটিক পরিবর্তন :

আপনার শরীরে যদি কোন জেনেটিক পরিবর্তন বা জিনগত ত্রুটি থাকে তাহলে আপনার কিডনি বা রেনালের ভিতরে কোষগুলোর বৃদ্ধি অস্বাভাবিকভাবে হতে পারে।

 এই কোষগুলো তখন জমাট বেঁধে টিউমার বা পিন্ডের এর মত তৈরী করে। যার থেকে পরবর্তীতে আপনার রেনাল ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

বংশগত কারণে :

আপনার পরিবারের কোন সদস্য যদি আগে থেকে রেনাল বা কিডনির ক্যান্সারে আক্রান্ত থাকেন তাহলে আপনার শরীরে ও রেনাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

স্থলতায় ভুগলে :

আপনি যদি স্থুলতায় ভুগে থাকেন তাহলে আপনার শরীরে রেনাল ক্যান্সার দেখা দেয়ার চরম সম্ভাবনা রয়েছে।

ডায়ালাইসিসের সমস্যা :

আপনি যদি ডায়ালাইসিসের সমস্যায় ভুগেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে যদি আপনার ডায়ালাইসিসের চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলমান থাকে তাহলে আপনার রেনাল ক্যান্সার হওয়ার মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে।

উচ্চ রক্তচাপ থাকলে :

আপনার যদি দীর্ঘ দিন ধরে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে না তাহলে আপনার রেনাল ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

ধূমপান করলে :

আপনি ধূমপান করলে সিগারেটের ভিতরে থাকা ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ আপনার কিডনি বা রেনালকে বিষাক্ত করে তুলতে পারে। যার ফলে রেনাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

অ্যালকোহল জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করলে :

আপনি যদি মদ্যপান এবং অ্যালকোহল জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করেন তাহলে এর ভিতরে থাকা উচ্চ মাত্রার অ্যালকোহল জাতীয় দ্রব্য আপনার বৃক্ক বা কিডনির ভিতরে কোষগুলোর অনিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে রেনাল ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে।

বিকিরণ রশ্মি :

আপনি যদি বিকিরণ রশ্মির কাছে যান তাহলে আপনার রেনাল ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের প্রবেশ :

আপনার বৃক্কে বা কিডনিতে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের প্রবেশ করলে আপনার রেনাল ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।


রেনাল ক্যান্সার হলে আপনার শরীরে কোন ধরনের লক্ষ্মণ দেখা যায় ?

সাধারণত রেনাল ক্যান্সার হলে আপনার শরীরে নিম্নলিখিত লক্ষ্মণগুলো দেখা দিয়ে থাকে। লক্ষ্মণ গুলো দেখা দিলে আপনাকে সতর্ক হয়ে যেতে হবে। লক্ষ্মণ গুলো হল –

রেনাল ক্যান্সার হলে আপনার শরীরে কোন ধরনের লক্ষ্মণ দেখা যায় ?

ছবি:সংগৃহিত

প্রসাবের সাথে রক্ত পড়া :

রেনাল বা কিডনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে আপনার প্রসাবের সাথে রক্ত পড়ার সম্ভাবনা আছে।

পেটে ব্যাথা করা :

আপনি রেনাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে পেটের চারপাশ ঘিরে অসম্ভব যন্ত্রণা বা ব্যাথা করতে পারে। ধীরে ধীরে আপনার এই ব্যাথার প্রবণতা প্রবল আকার ধারণ করে এবং পিঠে ছড়িয়ে পারে।

পেট ফুলে যাওয়া :

আপনি রেনাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ফলে আপনার পেট ফুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আপনার কিডনিতে ক্যান্সারের অবস্থান বেশি খারাপের দিকে গেলে এ রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে।

পিঠে ব্যাথা করা :

রেনাল ক্যান্সার হলে আপনার পিঠের পাঁজরের ঠিক নিচের দিকে যেখানে কিডনি থাকে ঐ স্থানে ব্যাথা করতে থাকে। আর আপনার এই ব্যাথা সহজে সারে না বরং বাড়তে থাকে।

হাড়ের ব্যাথা :

রেনাল বা কিডনি ক্যান্সার হলে আপনার পিঠের মেরুদণ্ড বা হাড়ে ব্যাথা করতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ :

রেনাল ক্যান্সার হলে আপনার রক্তের চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে যেতে পারে। অর্থাৎ এ সময় আপনার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

রক্তস্বল্পতা :

রেনাল বা কিডনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ফলে আপনার শরীরে রক্তস্বল্পতা দেখা দিতে পারে।

ক্ষুধা কমে যাওয়া :

সাধারণত রেনাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে আপনার খাবার খাওয়ার ইচ্ছা বা চাহিদা অনেক কমে যায়।

অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব করা :

রেনাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে আপনার শরীর অনেক দূর্বল হয়ে পড়তে পারে এবং এ সময় আপনার অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভূত হয়ে থাকতে পারে।

হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া :

আপনার দেহের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হ্রাস পেতে থাকে কিডনিতে রেনাল ক্যান্সারের প্রভাব বেড়ে গেলে।

জ্বর-সর্দি হওয়া :

রেনাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে আপনার শরীর অনেক দূর্বল হয়ে পড়ার সাথে ঘন ঘন জ্বর-সর্দির সমস্যা ও দেখা দিতে পারে।


রেনাল ক্যান্সার হলে কোন ধরনের পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা হয় ?

আপনার কিডনি বা রেনালে ক্যান্সারের অবস্থান ও ধরণ অনুযায়ী চিকিৎসক নিম্ন লিখিত পরীক্ষা-নীরিক্ষা গুলো করে থাকেন। পরীক্ষা-নীরিক্ষা গুলো হল –

* Physical Test (শারীরিক পরীক্ষা)

* Blood Test (রক্ত পরীক্ষা)

* Urine Test (প্রসাব পরীক্ষা)

* CT Scan (সিটি স্ক্যান)

* MRI (এমআরআই)

* Ultrasound (আল্ট্রাসাউন্ড)

* Renal mass Biopsy (রেনাল ভর বায়োপসি)


উপরিউক্ত পরীক্ষা-নীরিক্ষাগুলো করার আগে অবশ্যই আপনাকে চিকিৎসকের পরামর্শ

গ্রহণ করতে হবে।


আপনার রেনাল ক্যান্সার হলে কী উপায়ে প্রতিকার করবেন ?

রেনাল ক্যান্সার হলে সর্বপ্রথমেই আপনাকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এরপর চিকিৎসক আপনার শরীরে ক্যান্সারের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে প্রয়োজন বোধে নিচের পদ্ধতিতে চিকিৎসা করে থাকেন। পদ্ধতি গুলো হল –

অস্ত্রোপচার বা সার্জারি :

রেনাল বা কিডনি ক্যান্সার প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে সাধারণত চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ক্যান্সার কোষ কিডনি থেকে অপসারণ করে ফেলেন।

বিকিরণ থেরাপি :

এই পদ্ধতিটি রেনাল ক্যান্সার সার্জারির পরে দেয়া হয়। এই পদ্ধতি আপনার রেনাল বা কিডনি ক্যান্সারের কোষগুলো ধ্বংস করতে ব্যাবহার করা হয়।

কেমোথেরাপি :

এই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনার রেনাল বা কিডনি ক্যান্সারের কোষগুলোকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে ফেলা হয়।

টার্গেটেড থেরাপি :

এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ আপনার শরীরে প্রয়োগ করিয়ে রেনাল ক্যান্সারের কোষগুলোর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি একেবারে বন্ধ করে দেয়া হয়।

ইমিউনোথেরাপি :

এই পদ্ধতিতে কিছু ওষুধ আপনার শরীরে প্রয়োগ করা হয় যা আপনাকে ক্যান্সার কোষগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি যোগায়।


কীভাবে আপনার রেনাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করবেন ?

রেনাল বা কিডনি ক্যান্সার থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি মনোযোগ দিতে হবে এবং সেগুলো ঠিক মত পালন করতে হবে। বিষয়গুলো হল –

কীভাবে আপনার রেনাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করবেন ?
ছবি:সংগৃহিত

জীবনযাত্রার পরিবর্তন করা :

আপনাকে রেনাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করার জন্য সবার আগেই জীবনযাত্রার মানের পরিবর্তন করা দরকার। রোগ-ব্যাথি সম্পর্কে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। অসুখ- বিসুখ দেখা দেয়ার সাথে সাথে হেলা-ফেলা না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

জাঙ্ক ফুড ত্যাগ করা :

রেনাল বা কিডনি ক্যান্সার থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে অবশ্যই বাইরের তৈরি অস্বাস্থ্যকর খাবার বা জাঙ্ক ফুড বর্জন করতে হবে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা :

রেনাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করার জন্য আপনার শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য আপনাকে তেল-চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।

দৈনন্দিন ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করা :

আপনি যদি নিয়মিত যদি শরীরচর্চা এবং ব্যায়াম করেন তাহলে রেনাল ক্যান্সার প্রতিরোধে আপনি অধিক কার্যকরী ফল পেতে পারেন। তাই প্রতিদিন অন্তত আপনার ৩০ মিনিট শারীরিক ব্যায়াম করা উচিত।

ধূমপান এবং মদ্যপান ত্যাগ করা :

রেনাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে হলে সবার প্রথমেই আপনাকে ধূমপান এবং মদ্যপান করা বন্ধ করে দিতে হবে। এর ফলে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থগুলো আপনার বৃক্ক বা কিডনির ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না এবং কিডনির ভিতরে কোষের বৃদ্ধিও স্বাভাবিক থাকবে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা :

রেনাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে হলে আপনার শরীরের রক্তচাপের পরিমাণ অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আপনাকে উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরল জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।

আঁশজাতীয় খাবার খাওয়া :

আপনাকে রেনাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে হলে ফাইবার বা আঁশজাতীয় খাবার যেমনঃ গাজর, মুলা প্রভৃতি বেশি করে খেতে হবে। এই সব খাবার আপনাকে রেনাল ক্যান্সার হওয়া থেকে রক্ষা করবে।

আরও পড়তে পারেন :

ফুসফুস ক্যান্সারের ( Lung cancer)  কারণ ও লক্ষণ গুলো কি কি ?

হার্ট অ্যাটাক কি ? হার্ট অ্যাটাক কেন হয়? প্রতিকার কিভাবে করবেন?

পরিশেষে বলা যায় যে,

আমরা জানি রেনাল ক্যান্সার একটি মারাত্মক ব্যাধি। রেনাল ক্যান্সারের জীবাণু পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়লে বাঁচার আশঙ্কা অনেক কমে যেতে পারে। তাই এই রোগের লক্ষ্মণ গুলো সম্পর্কে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং লক্ষ্মণ প্রকাশের সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। কারণ প্রাথমিক অবস্থায় এই রোগের চিকিৎসা করালে আপনি দ্রুতই এই রোগ থেকে সেরে উঠে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন। তাই আপনি যদি রেনাল বা কিডনি ক্যান্সার থেকে বাঁচতে চান তাহলে অবশ্যই উপরিউক্ত বিষয়গুলোর লক্ষ্য রাখতে হবে এবং সেগুলো মেনে চলতে হবে এবং অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

Tags

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
Top